আর দেখা যাবে না গোলাম মাওলা রনিকে...see more

 টেলিভিশনের টকশোতে আর দেখা যাবে না গোলাম মাওলা রনিকে, আলোচনায় তাঁর নতুন সিদ্ধান্ত




বাংলাদেশের সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মাওলা রনিকে ঘিরে আবারও আলোচনা শুরু হয়েছে। এবার আলোচনার বিষয় হলো টেলিভিশনের নিয়মিত টকশোতে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত। দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলের রাজনৈতিক ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাঁকে মতামত প্রকাশ করতে দেখা গেছে। তবে এবার সেই পরিচিত পরিসর থেকে সরে এসে নিজের অনলাইন প্ল্যাটফর্মে বক্তব্য দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তিনি।

টেলিভিশনের টকশো নিয়ে কী জানিয়েছেন তিনি?

নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া একটি পোস্টে গোলাম মাওলা রনি টেলিভিশনের টকশোতে আর অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানান। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, অনিবার্য কারণে তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একই সঙ্গে নিজের ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে আলোচনা ও মতামত প্রকাশ অব্যাহত রাখার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

তাঁর এই ঘোষণার পর বিষয়টি নিয়ে দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। কারণ, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন রাজনৈতিক ঘটনা ও দেশের সমসাময়িক পরিস্থিতি নিয়ে টেলিভিশনের আলোচনায় অংশ নেওয়ার সুবাদে তিনি পরিচিতি পেয়েছেন।

সিদ্ধান্তের পেছনে কোন বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ?

প্রকাশিত সংবাদ প্রতিবেদনে তাঁর সিদ্ধান্তের সঙ্গে দৈনন্দিন সময় ব্যবস্থাপনা ও ব্যক্তিগত জীবনের বিষয়গুলোকে যুক্ত করা হয়েছে। টেলিভিশনের অনুষ্ঠানে অংশ নিতে অনেক সময় নির্দিষ্ট সময়ে স্টুডিওতে পৌঁছাতে হয়। আবার আলোচনা দীর্ঘ হলে অনুষ্ঠান শেষে বাড়ি ফিরতেও রাত হয়ে যেতে পারে।

এ ধরনের ব্যস্ততার কারণে ঘুম, বিশ্রাম এবং ব্যক্তিগত কাজের সময়সূচিতে পরিবর্তন আসতে পারে। তবে তাঁর সিদ্ধান্তের পেছনে ঠিক কোন বিষয়টি কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত হতে তাঁর নিজের বক্তব্য ও নির্ভরযোগ্য সংবাদসূত্রের ওপর নির্ভর করা প্রয়োজন।

এবার কি শুধু ইউটিউবেই পাওয়া যাবে তাঁর বক্তব্য?

টেলিভিশনের টকশোতে অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দিলেও গোলাম মাওলা রনি সব ধরনের আলোচনা বন্ধ করার কথা জানাননি। বরং নিজের ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে বক্তব্য প্রকাশের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।

বর্তমানে অনলাইন ভিডিও প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বক্তা, বিশ্লেষক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা সরাসরি দর্শকদের কাছে নিজেদের মতামত তুলে ধরতে পারেন। এ ক্ষেত্রে সময় ও বিষয় নির্বাচনের ক্ষেত্রেও তুলনামূলকভাবে বেশি স্বাধীনতা থাকে। নিজের চ্যানেলে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা তাঁর বক্তব্য প্রকাশের বিকল্প মাধ্যম হিসেবে কাজ করতে পারে।

দর্শকদের আগ্রহ এখন কোথায়?

টেলিভিশনের আলোচনায় নিয়মিত তাঁকে দেখেছেন এমন দর্শকদের কাছে এই সিদ্ধান্ত স্বাভাবিকভাবেই নতুন একটি বিষয়। কেউ তাঁর সিদ্ধান্তের কারণ জানতে আগ্রহী, আবার কেউ অপেক্ষা করছেন ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত পরবর্তী বক্তব্যের জন্য।

তবে টেলিভিশনের টকশো থেকে বিরতি নেওয়া মানেই রাজনৈতিক বা সামাজিক বিষয় নিয়ে তাঁর মতামত প্রকাশ বন্ধ হয়ে যাওয়া নয়। বরং তাঁর ঘোষণায় অনলাইন মাধ্যমে বক্তব্য অব্যাহত রাখার বিষয়টি উঠে এসেছে।

সামনে কী হতে পারে?

গোলাম মাওলা রনির এই সিদ্ধান্তের ফলে তাঁর বক্তব্য প্রকাশের মাধ্যম পরিবর্তিত হতে পারে। আগে যেখানে টেলিভিশনের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাঁকে দেখা যেত, সেখানে ভবিষ্যতে তাঁর অনলাইন কার্যক্রমের দিকে দর্শকদের আগ্রহ বাড়তে পারে।

সব মিলিয়ে, টেলিভিশনের টকশোতে অংশ না নেওয়ার ঘোষণা তাঁর নিয়মিত কার্যক্রমে একটি পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এখন দেখার বিষয়, নিজের ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে তিনি কীভাবে সমসাময়িক ঘটনা, রাজনীতি ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যান।

Comments

Popular posts from this blog

মাথার ঘো’মটা দেখলে মনে হয় একজন প’র্দাশীল পরহে’জগার ম’হিলা,কিন্তু পে’শায় একজন…

কোন ভিটা’মিনের অভাবে পুরুষদের লি’,ঙ্গ চিকন ও শু’,ক্রা’ণু কমে যায়!

কুমিল্লায় ভবন নি’/র্মাণের সময় মাটি খনন করতে গিয়ে বেরিয়ে এলো ৫০০...more